নিউজ ডেস্কঃ
মরশুমের প্রথম ম্যাচে ড্র-য়ে সন্তুষ্ট থাকতে হল জুভেন্তাসকে। সঙ্গী হল বিতর্ক। সৌজন্যে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। প্রথম ম্যাচে উডিনেসের বিরুদ্ধে খেলতে নামে জুভেন্তাস। ম্যাচ শেষ হয় ২-২ গোলে।

বিতর্ক হয় ম্যাচের শেষ মিনিটে। ম্যাচের প্রথম একাদশে রোনাল্ডোকে রাখেননি কোচ মাসিসিলানো অ্যালিগ্রি। যা দেখে রোনাল্ডোর দল ছাড়ার গুঞ্জন শুরু হয়। এরপর ম্যাচের মাঝপথে রোনাল্ডোকে নামান কোচ। কিন্তু গোল করতে পারেননি CR7। অবশেষে ম্যাচের ৯৫ মিনিটের মাথায় গোল করেন তিনি। গোল করে জার্সি খুলে সেলিব্রেশন করতে দেখা যায় তাঁকে। কিন্তু VAR-এ দেখা যায় গোলটি অফসাইড। রোনাল্ডোর কাঁধের একটা অংশ অফসাইডের কবলে পড়ে যায়। এরপর জার্সি খোলার জন্য রোনাল্ডোকে সতর্ক করেন রেফারি। যার জেরে মরশুমের প্রথম ম্যাচেই বিতর্কে পর্তুগিজ তারকা। ম্যাচের পর জুভেন্তাস কোচ অ্যালিগ্রি জানান, রোনাল্ডোর প্রথম একাদশে না থাকা স্বয়ং রোনাল্ডোর সিদ্ধান্ত।

দীর্ঘদিন ধরেই রোনাল্ডোর জুভেন্তাস ছাড়া নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। একবার শোনা গিয়েছিল আগামী মরশুম থেকে PSG তে খেলতে পারেন তিনি। ফলে মেসি-নেইমার-রোনাল্ডো জুটি দেখার আশায় বুক বাঁধেন ফুটবল সমর্থকরা। এরপর গুঞ্জন শোনা যায় রিয়াল মাদ্রিদে যেতে পারেন তিনি। শোনা যায় PSG থেকে এমবাপেকে সই করিয়ে রোনাল্ডোর সঙ্গে জুটি বাঁধাতে পারে মাদ্রিদ। যদিও সেই গুঞ্জন উড়িয়ে দেন অ্যান্সলেত্তি। স্বয়ং রোনাল্ডোও পোস্ট করে সেই গুঞ্জনে জল ঢালেন।

এরপরে গুঞ্জন ওঠে ম্যানচেস্টার সিটিতে সই করতে পারেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটি হ্যারি কেনকে সই না করাতে পারলে তারা ঝুঁকতে পারে রোনাল্ডোর দিকে।যদিও এখনও কোনও গুঞ্জন মান্যতা পায়নি। সরকারিভাবে কোনও পক্ষ থেকেই কিছু জানানো হয়নি।

করোনা জেরে আর্থিক সংকটে জুভেন্তাস ফলে খরচ কমাতে পারে তাঁরা। অতিমারিতে বেতন কমেছে অনেকের। ফলে আগামী বছর তারা রোনাল্ডোকে রাখবে না বলে গুঞ্জন ছড়ায়। তারপরই তাঁর ট্রান্সফার নিয়ে একের পর এক খবর সামনে আসতে থাকে।তবে জুভেন্তাস দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট পাভেল নেডভেড বলেন, ‘ রোনাল্ডো ক্লাবেই থাকবেন’।

২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাসে কাঁটছাঁট করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, জানুন

নিউজ ডেস্কঃ
করোনা পরিস্থিতির জেরে ২০২২ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাসে কাঁটছাঁট করল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। মঙ্গলবার পর্ষদের তরফে আগামী বছরের পরীক্ষার জন্য নতুন সিলেবাস জারি করা হল। । যাতে বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি বিষয়ের প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ সিলেবাস বাদ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের পরীক্ষাতেও প্রায় ৩৫ শতাংশ সিলেবাস কমিয়ে দিয়েছিল পর্ষদ।

সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এখনও বন্ধ স্কুল। অনলাইনই এখন পড়াশুনার মাধ্যম। গত বছরের মতোই প্রত্যেক বিষয়েই কমেছে সিলেবাস। নির্দেশিকায় পর্ষদ স্পষ্ট করেছে, মোট ৯০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় কোন বিষয় থেকে কত নম্বরের কটি প্রশ্ন থাকবে। একইসঙ্গে সংক্ষিপ্তধর্মী বা মাল্টিপল চয়েস টাইপের প্রশ্নের ভাগ বাড়ছে। সেই অনুযায়ীই শিক্ষিকাদের ক্লাসে পড়ানোর পরামর্শ পর্ষদের।

এদিনে পর্ষদের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, পরের বছর সশরীরেই কেন্দ্রে পৌঁছে পরীক্ষা দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। তবে কবে হবে পরীক্ষা নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত বা তারিখ এখনও ঘোষিত হয়নি।

উল্লেখ্য, সোমবারই পুজোর পর স্কুল খোলার ভাবনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী । তৃতীয় ঢেউ ভয়াবহ না হলে পুজোর পরই খুলছে স্কুল। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মমতা ব্যানার্জি বলেন, ‘পরিস্থিতি ঠিক থাকলে পুজোর পর স্কুল খোলা হবে। স্যানিটাইজ করে সমস্ত স্কুল খুলবে। কিন্তু, যদি তৃতীয় ঢেউ ভয়াবহ আকার ধারণ করে, তখন তো আমাদের হাতে কিছু থাকবে না।’ কেরালা, মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক বলেও এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *