কলকাতায় কংগ্রেস অফিসে বিজেপির হা*মলা, রাহুলের ছবিতে কালি। জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ
কলকাতায় প্রদেশ কংগ্রেসের সদর দফতর বিধান ভবনে ধুন্ধুমার কান্ড ৷ দলবল নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে ।
সকালে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে তখনও কোনও নেতা পৌঁছাননি। মোটের উপর ফাঁকাই ছিল। অভিযোগ, সেই সময় রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে একদল বিজেপি কর্মী দলীয় পতাকা হাতে বিধান ভবনে হামলা চালান । গেটে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে । বাইরে দেওয়ালে লাগানো পোস্টার, ফ্লেক্স ছিঁড়ে ফেলা হয় । এমনকি রোডের ধারে ‘ভোট চুরি’র পোস্টারে রাহুল গান্ধির ছবিতে কালি লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে । এরপর ছেঁড়া পোস্টার, ফ্লেক্স পুড়িয়ে দেন বিজেপির কর্মীরা।
সেই সঙ্গে চলতে থাকে জয় শ্রীরাম এবং রাহুল গান্ধির বিরুদ্ধে স্লোগান । সবমিলিয়ে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা । সেই সময় বিধান ভবনে উপস্থিত হাতেগোনা কয়েকজন নেতা ও কর্মী কোনও মতে বাইরের গেট বন্ধ করে বিল্ডিংয়ের ভিতরে ঢুকে যান । বেলার দিকে সিআইটি রোড অবরোধ করেন কংগ্রেস কর্মীরা।
পাটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রয়াত মা-কে কটূক্তির অভিযোগ উঠেছে এক কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে । যে ঘটনায় বিহার জুড়ে রণক্ষেত্র পরিস্থিতি । যার প্রভাব পড়ল কলকাতায়।
এই ঘটনায় অবশ্য রাজ্য বিজেপিকে হুঁশিয়ারির সুরে জবাব দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার । তিনি একটি খোলা চিঠি লিখেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে ।
পাশাপাশি, রাকেশ সিংয়ের বিরুদ্ধে বিজেপি ও পুলিশ ব্যবস্থা না-নিলে রাজ্যজুড়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার । তিনি বলেন, “এরপরেও যদি রাকেশ সিং-এর বিরুদ্ধে বিজেপি ব্যবস্থা না-নেয় এবং পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার না-করে, তবে রাজ্যজুড়ে কংগ্রেস কর্মীদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ কোন পর্যায়ে যাবে, তা কিন্তু আমাদের জানা নেই”।
ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে জেলায় জেলায় কংগ্রেসের বিক্ষোভ অবস্থান প্রতিবাদ মিছিল শুরু হয়েছে। উত্তরবঙ্গের কোচবিহারে আলিপুরদুয়ার শিলিগুড়িতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন কংগ্রেস নেতা কর্মী সমর্থকরা।

